অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম ২০২৪

আপনি কি নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে চান কিন্তু কিভাবে করবেন, কি কি কাগজপত্র লাগবে, ফি কত ইত্যাদি সম্পর্কে কিছুই জানেন না? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদনের যাবতীয় সকল তথ্য সম্পর্কে।


জন্ম নিবন্ধন প্রতিটি মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ। আপনার যদি নতুন জন্ম নিবন্ধন করা সম্পর্কে কোনো ধারনা জানা না থাকে। তাহলে আপনাকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়া লাগতে পারে। তাই তাই জন্মনিবন্ধন করতে প্রয়োজনীয় কি কি কাগজপত্র লাগে এবং ফি কত সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন এবং জানুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য যে  বিষয়গুলো জানতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন আপনার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার বাড়ির সন্তানের স্কুল ভর্তি থেকে শুরু করে, বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং ভোটার হওয়ার আগ পর্যন্ত নাগরিকের পরিচয় পত্র হিসেবে বহন করে। তাই জন্ম সনদ অতি প্রয়োজনীয় সনদ। জন্ম নিবন্ধন কিভাবে আবেদন করবেন তার সঠিক তথ্যগুলো সম্পর্কে আজকে আমরা আপনাদের ধারণা দিব পড়তে থাকুন।

জন্ম নিবন্ধন এর প্রয়োজনীয়তা জানুন 

জন্ম নিবন্ধন হলো আপনার (NID CARD) প্রস্তুত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত নাগরিত্ব হওয়ার একমাত্র প্রমাণপত্র। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি হওয়ার আগে কোন জায়গাতে যদি আপনার পরিবার পরিচয় পত্রের প্রয়োজন হয়, তাহলে জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য আপনার সন্তান জন্মের পরেই জন্ম নিবন্ধন  করে রাখা বাধ্যতামূলক।  বাংলাদেশের জন্ম ও 

মৃত্যু নিবন্ধন আইন অনুযায়ী একজন শিশুর বয়স যখন ৪৫ দিন হয় তখন তার জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে যদি ৪৫ দিন পার হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে পিতা মাতাকে জরিমানা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করতে হয়। জন্ম নিবন্ধন আপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় কাজে প্রয়োজন পড়বে। সন্তানের    স্কুলের ভর্তি, ড্রাইভিং লাইসেন্স,  বিদেশ যাওয়ার 

ক্ষেত্রে ইত্যাতিতে আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID CARD) না থাকে তাহলে জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এছাড়া বিবাহ নিবন্ধন এর ক্ষেত্রে বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম সনদ থাকতে হয়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। 

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন 

নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে। আপনার জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বা কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন পড়বে সেগুলো হলোঃ

  • আপনার বাড়ির কর (Tax)রশিদ 
  • হাসপাতালের ছাতপত্র বা টিকা কার্ড
  • পিতা মাতার মোবাইল নাম্বার 

তবে জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীর বয়স বেধে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র বা ডকুমেন্টসগুলো ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।নিম্নে বয়স ভেদে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র বা ডকুমেন্টগুলো আপনাদের সুবিধার্থে একটি তালিকা দেওয়া হল। নিচে বিস্তারিত দেখুন। 

শিশুর বয়স শূন্য ০ থেকে ৪৫ হলে যে কাগজপত্র লাগবেঃ

  • ইপিআই টিকা কার্ড/ হাসপাতাল এর ছাড়পত্র
  • বাড়ির কর রশিদ বা ট্যাক্স
  • পিতা মাতার সচল মোবাইল নাম্বার 
  • পিতা-মাতা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র  (NID CARD)
  • পিতা মাতা বা অভিভাবকের অনলাইন জন্ম সনদ (পিতা- মাতার ডিজিটাল সনদ)

শিশুর বয়স ৪৬ থেকে ৫ বছর হলে যে কাগজপত্র লাগবে ঃ

  • ইপিআইটি টিকা কার্ড /হাসপাতালের ছাড়পত্র 
  • বাড়ির কল রশিদ বা ট্যাক্স রশিদ 
  • আবেদনকারীর পিতা-মাতার সচল মোবাইল নাম্বার 
  • পিতা-মাতা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র (NID CARD)
  • পিতা-মাতা বা অভিভাবকের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর সহ প্রত্যয়ন পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) 
  • আবেদনকারীর ১ কপি রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি 

শিশু বা ব্যক্তির বয়স ৫ বছরের বেশি হলে যেসব ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র গুলো লাগবেঃ

  • বয়স প্রমাণের জন্য চিকিৎসকের প্রত্যয়ন পত্র। ( বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল করতে স্বীকৃত এমবিবিএস/ তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী হতে হবে)
  • আবেদনকারির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী/ জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট /শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত স্কুল সার্টিফিকে লাগবে।
  • আবেদনকারীর কর প্রধানের রশি/ ট্যাক্স/ জমি ক্রয়ের দলিল লাগবে।
  • পিতা মাতা বা অভিভাবকের স্থায়ী ঠিকানার কর রশিদ পত্র/ট্যাক্স লাগবে।
  • পিতা মাতা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র (NID CARD) লাগবে।

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য যেভাবে আবেদন করবেন 

জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হয় সেটা অনেকেই জানেন না, বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন আবেদনের জন্য পুরাতন ওয়েবসাইটটি পরিবর্তন করে নতুন ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। বর্তমান নতুন ওয়েবসাইট লিঙ্কটি আপনাদের সুবিধার্থে দেওয়া হল।


নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য, আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই আপনার হাতের মোবাইল দিয়ে, শুধুমাত্র একটা ওয়েবসাইট ভিজিট করার মাধ্যমে নিজেই আবেদন করতে পারবেন।এরপর যে ঠিকানায় জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবেন সেটা সিলেক্ট করে ব্যক্তিগত কিছু তথ্য যেমন নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা  পূরণ  করে  আবেদনের 

প্রথম ধাপ সম্পন্ন করুন। পরবর্তীতে আরো কিছু তথ্য প্রদান করে জন্ম নিবন্ধন আবেদনটি সম্পন্ন করতে হবে। এরপর জন্ম নিবন্ধন আবেদনের প্রিন্ট কপি ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিন। জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে, আপনি যেন সহজেই বুঝতে পারেন সেজন্য ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো। নিচে দেখতে থাকুন। 

ধাপ ১ঃ জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির পরিচিতি বা জন্মস্থানের ঠিকানা।

জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে এই লিঙ্কে https://bdris.gov.bd/প্রবেশ করুন। এখানে নিচের মত একটা পেজ দেখতে পাবেন। আপনি কোন ঠিকানায় জন্ম নিবন্ধন করাতে চান এখানে সেই ঠিকানাটা বাছাই করুন।


আপনি যে ইউনিয়ন পরিষদ/ সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে চান। জন্ম নিবন্ধনকারী শিশু বা ব্যক্তির কোন ঠিকানায় তা এখানে নির্বাচন করুন। জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির নাম বাংলা ও ইংরেজিতে। অন্যান্য তথ্যসমূহ ও জন্মস্থানের ঠিকানা আপনাকে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। তারপর সর্বশেষ ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ২ঃ জন্ম নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির তথ্য প্রদান 


জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারী ব্যক্তির বেশ কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে বড় একটি আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির পুরো নাম বাংলা এবং ইংরেজি লিখতে হবে। জন্ম তারিখ প্রদানের বক্সে যদি ক্লিক করেন তাহলে জন্ম তারিখ নির্বাচন করে অপশন চলে আসবে। একই সাথে বয়সের উপর ভিত্তি করে আপনার নিবন্ধন করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে সেগুলো উল্লেখ করা থাকবে।জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির নাম সফলভাবে দেয়া হলে আপনার জন্মস্থানের ঠিকানা

নির্বাচন করতে হবে।  আপনাকে ঠিকানা গুলো পর্যায়ক্রমে লিখতে হবে উদাহরণস্বরূপঃ আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং গ্রাম। ঠিকানার পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির পিতা মাতার কততম সন্তান এবং লিঙ্গ নির্বাচন করতে হবে। সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে ফরমটি পূরণ করা হলে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করতে হবে। 

ধাপ ৩ঃ পিতা মাতার তথ্য প্রদান 

নিবন্ধনকারী শিশু বা ব্যক্তির পিতা মাতার অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিতে হবে। 


এখানে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর লেখার পরে নাম সমূহ স্বয়ংক্রিয় ভাবে আসবে। এগুলো আপনি এডিট করতে পারবেন না এই তথ্যগুলো পূরণ করা শেষে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। 

ধাপ ৪ঃ স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা প্রদান

আপনাকে স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকানা প্রদান করতে হবে। নিচের ছবিটি ফলো করুন। 

আপনার স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা যদি একই হয় তাহলে "জন্মস্থান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা একই" চেকবক্সে টিক দিন। (লাল বক্সে টিক দিন) 

এরপর আপনার ঠিকানা গুলো নির্বাচন করে গ্রাম,বাসা ও সড়ক নম্বর লিখে দিন। এরপর আপনি পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। 

ধাপ ৫ঃ  আবেদনকারী তথ্য প্রদান 

এ ধাপে জন্ম নিবন্ধনকারী ব্যক্তির আবেদনের তথ্য দিতে হবে। সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন এর জন্য তার পিতা-মাতা, পিতামহ-পিতামহী, মাতামহ-মাতামহী আইনগত অভিভাবকের দায়ী হয়ে থাকেন। এজন্য জন্ম নিবন্ধন আবেদন সাধারণত তারাই করে থাকে। এছাড়া আপনি যদি নিজেই নিজের জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে চান তাহলে "নিজ" অপশন নির্বাচন করতে হবে।


জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীর একটি সচল মোবাইল নাম্বারের প্রয়োজন হবে। এই নাম্বারটিতে জন্ম নিবন্ধন আবেদন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আপনাকে মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। আপনি যদি চান তবে আপনি একটি ই-মেইল আইডিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে বাধ্যতামূলক নয়। যাবতীয় তথ্য সম্পন্ন ভাবে দেওয়া হলে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করুন। 

ধাপ ৬ঃ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করুন 

আপনার সর্বশেষ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এর জন্য যতগুলো প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র রয়েছে সেগুলো সাবমিট করুন। তাদের বয়স পাঁচ বছরের কম সেসব শিশুর ক্ষেত্রে কার্ডের স্ক্যান কপি/জমি/ বাড়ির কর রশিদ করতে পারবেন। 


আপনি চাইলে একাধিক ফাইলেও সাবমিট করতে পারবেন। এসব ফাইল সাবমিট করা শেষ হলে সংযোজন বাটনে ক্লিক করে আরেকটি ফাইল সাবমিট করুন। প্রত্যেকটি ফাইল 100KB এর ছোট হতে হবে বিষয়টি মনে রাখবেন। 

ধাপ ৭ঃ জন্ম নিবন্ধননের আবেদনদপত্র প্রিন্ট

উপরের ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অনলাইনের জন্ম নিবন্ধন ফরমটি সাবমিট করলে। তারপরে আপনি জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট করার জন্য অপশন পেয়ে যাবেন। তবে আপনার জন্য আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা আবশ্যক নয়। 


তবে অবশ্যই আবেদন পত্রের নাম্বারটি সংগ্রহে রাখতে হবে। আপনি আবেদন করার কোন কার্য দিবসের মধ্যে ইউনিয় পরিষদ/পৌরসভা থেকে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনার আবেদন পত্র নাম্বার অথবা প্রিন্ট কপি জমা দিলে জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুমোদন করে প্রিন্ট করে দিবে। 

জন্ম নিবন্ধন আবেদন যাচাই 

আপনার জন্ম নিবন্ধন আবেদনটি সফল হয়েছে কিনা তা অনলাইন থেকে জেনে নিতে পারবেন। আপনার আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের  অবস্থা চেক করে জেনে নিতে পারবেন নিবন্ধন অনলাইনে হয়েছে কিনা। 

জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করুন 

  • অনলাইনে আপনি নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য যে আবেদন করেছিলেন সেটি সংগ্রহ করার জন্য আপনি যে নিবন্ধক কার্যালয় নির্বাচন করেছেন সেই ইউনিয়ন অফিস অথবা পৌরসভা থেকে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করতে হবে । 
  • জন্ম নিবন্ধন আপনি যদি সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে চান, তাহলে আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যেই আপনা কার্যালয় থেকে জন্ম সনদ সংগ্রহ করতে হবে। 
  • আপনি যদি তোমার ১৫ দিনের মধ্যে গ্রহণ না করেন তাহলে অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে। 

আপনি জন্ম সনদ ডাউনলোড করে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের সিল ও  সাক্ষর নিতে হবে। এরপর আপনাকে চেয়ারম্যান অথবা পৌরসভা মেয়র থেকে শীর্ষ স্বাক্ষর করে নিতে হবে। 

জন্ম নিবন্ধন ফি কত

একটি শিশুর বয়স যখন ০ শূন্য থেকে ৪৫ দিন হয় তার জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফ্রিতে করা হয়। শিশুর বয়স ৪৬ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত নিবন্ধন ফি আমাদের দেশে ২৫ টাকা। ৫ বছরের পরে যদি নিবন্ধন করে, তাহলে আমাদের দেশে ৫০ টাকা। বিদেশে ১ ডলার নিয়ে থাকে। আমাদের দেশের জন্ম তারিখের বিলম্ব ফি ১০০ টাকা। বিদেশে দুই ডলার। এছাড়া অন্যান্য তথ্য সংশোধন এর বাংলা ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদের নকল আমাদের দেশে আবেদন ফি ৫০ টাকা।

বয়স নিবন্ধন ফি
শিশুর বয়স ০ থেকে ৪৫ দিন হলে বিনামূল্যে
শিশুর বয়স ৪৬ দিন থেকে ৫ বছর হলে ২৫ টাকা
শিশু বা ব্যক্তির বয়স ৫ বছর এর অধিক হলে ৫০ টাক

(FAQ'S)- জন্ম নিবন্ধন আবেদন সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন আবেদন করব কিভাবে? 

উত্তরঃ প্রয়োজনে সকল কাগজপত্র নিয়ে অনলাইনে এই লিঙ্কে আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কত টাকা লাগে? 

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন এর তারিখ সংশোধন করতে ১০০ টাকা লাগে। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন  করতে কি কি কাগজপত্র লাগে? 

উত্তরঃ সাম্প্রতিক তোলা ছবি,আপনার বাড়ির কর রশিদ, হাসপাতালে ছাড়পত্র বা টিকা কার্ড, পিতা মাতার মোবাইল নাম্বার। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করতে কত সময় লাগে? 

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে এক দিনেই করা যায় তবে ক্ষেত্র বিশেষে দুদিন সময় লাগতে পারে। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হয়? 

উত্তরঃ ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভাতে  জন্ম নিবন্ধন করতে হয়। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন কত বার করা যায়?

উত্তরঃ নিয়ম অনুযায়ী একবার আবেদন করা যায়।  তবে একের অধিক বার আবেদন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন আবেদনের ওয়েবসাইট কি? 

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন আবেদনের ওয়েবসাইট হল 

প্রশ্নঃ জন্ম নিবন্ধন যাচাই করব কিভাবে? 

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে হয় অনলাইনে দেওয়া হল। 

লেখকের শেষ মন্তব্যঃ

প্রিয় পাঠক উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে অনলাইনে কিভাবে নতুন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আবেদন করবেন এবং কি কি কাগজপত্রগুলো লাগবে, জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজনীয়তা কি, সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হয়েছে। আপনি যদি জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কে আরো কিছু জানতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন আমাদের সাথেই থাকুন। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাহবুব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url